সতীশ বিশ্বাস
আমার দাদুর বয়স একাশি
তবু মনে তিনি আধুনিক
অতীতের প্রতি শ্রদ্ধায়ও তিনি
পরম প্রাগৈতিহাসিক।
রাজাদের কথা জানেন এবং
চেনেন রাষ্ট্রপতিদের
হলিউডি হিরোইনের যেমন,
নাম জানা সব সতীদের।
কখনই দাদু বলেন না `আহা!
আমাদের ছিল সোনাযুগ!
আজকালকার ছেলেমেয়েগুলো
নয় নম্র-নিয়মানুগ।
লেখেন যেমন সুদীর্ঘ চিঠি
প্রবাসী জ্যেষ্ঠ নাতিকে
বলেন তেমন সেলফোনে কথা,
ভোগেন না কোন বাতিকে।
গল্প শোনান সগর রাজার
ষাট হাজার ছেলে লুকানোর
তার পাশাপাশি উৎসাহ দেন
চাঁদে ঘরবাড়ি বানানোর।
সময়ের সাথে তাল রেখে তিনি
বদলে ফেলেন দাবিকে
সহজভাবেই দুই হাতে তুলে
নেন অবশ্যম্ভাবীকে।
ড্রয়িং-রুমটি সাজানোয় তিনি
যেটা আধুনিক তাই মেশান।
দাদুর জীবন দেখে মনে হয়-
এও এক গ্লোবালাইজেশান।