Friday 19th of June 2026
|
|
|
Headlines : * Key points from the US-Iran memorandum   * ঢাকার ১২০ গুরুত্বপূর্ণ স্পটে বসছে এআই ক্যামেরা   * মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে দিলো আর্জেন্টিনা   * ECNEC approves 5 projects involving Tk 7,003 cr   * ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন করল একনেক   * বাজারে অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম   * ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান   * সমতায় শেষ ইরান-নিউজিল্যান্ডের দুর্দান্ত লড়াই   * Vance says US expects Hormuz strait to reopen `toll-free   * বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম, শেয়ারবাজারে বড় উত্থান  

   বাংলা সংবাদ
আমি-ই বস: জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্প
  Date : 18-06-2026

ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বনেতাদের সামনে রসিকতার ছলে ঘোষণা করেছেন, আমি-ই বস। একইসঙ্গে তিনি ও জি-৭ নেতারা ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়ে কিয়েভের প্রতি নতুন করে সমর্থন ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।


১৫ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই জি-৭ সম্মেলনে এমন এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে মস্কোর সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় ইউক্রেনের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও তার মিত্ররা সম্মেলনে এসেছিলেন ট্রাম্পকে বোঝানোর জন্য যে ইউক্রেনের পাল্টা প্রতিরোধ কার্যক্রম ইতোমধ্যেই ফল দিতে শুরু করেছে এবং রাশিয়া এখন আর শান্তি চুক্তির শর্ত একতরফাভাবে নির্ধারণ করার অবস্থানে নেই।

সম্মেলনের যৌথ বিবৃতি এবং বিশ্বনেতাদের মন্তব্য থেকে ইঙ্গিত মিলেছে যে, দীর্ঘদিনের সংশয়ের পর ট্রাম্প এখন জেলেনস্কির যুক্তির প্রতি কিছুটা বেশি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠেছেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া এই যুদ্ধে ইউক্রেনের তুলনায় বেশি সেনা হারাচ্ছে। তিনি রাশিয়াকে এই সংঘাতে ‘আক্রমণকারী পক্ষ’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানে ‘বাস্তব পরিবর্তন’ দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য ইউরোপীয় নেতারাও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।

গত বছর কানাডায় অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলন ইউক্রেন নিয়ে কোনো যৌথ অবস্থান ছাড়াই শেষ হয়েছিল। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। ভার্সাই প্রাসাদে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ নৈশভোজের আগে ম্যাক্রোঁ ও ট্রাম্প দুজনেই এই সম্মেলনকে সফল বলে উল্লেখ করেন।

তবে রাশিয়াকে শান্তি আলোচনায় বাধ্য করার পরিকল্পনা এখনো অনেকাংশে ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভরশীল, আর সেই প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা স্থায়ী হবে তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

জি৭ নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ও তা বাস্তবায়নে সহায়তা করার প্রস্তুতির কথাও বলেছেন।

তবে ট্রাম্প কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি যে এই প্রক্রিয়ায় ইউরোপীয় দেশগুলোর ভূমিকা কী হবে।

ইউরোপীয় মিত্রদের আশঙ্কা, অভিজ্ঞতাহীন মার্কিন আলোচক দল পরবর্তী পর্যায়ে ইরানের সঙ্গে একটি শক্তিশালী পারমাণবিক চুক্তি করতে ব্যর্থ হতে পারে অথবা ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সমাধান করতে নাও পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এদিকে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এখনো চূড়ান্ত নয় ও ইরান যদি শর্ত মানতে ব্যর্থ হয় তাহলে তিনি পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন।

তিনি বলেন, যদি আমার এটা পছন্দ না হয়, যদি তারা ঠিকভাবে আচরণ না করে, তাহলে আমরা আবার তাদের মাথার মাঝখানে বোমা ফেলতে শুরু করবো, ঠিক আছে?

যদিও প্রকাশ্যে ইউরোপীয় দেশগুলো প্রাথমিক সমঝোতাকে সমর্থন করছে, তবে কূটনীতিকরা সতর্ক করে বলেছেন যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্র ও প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন- এসব বিষয় নিয়ে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন কাজ।

চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে নতুন উদ্যোগ

সম্মেলনে জি-৭ নেতারা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এর মধ্যে রয়েছে কৌশলগত খনিজ মজুত নীতিতে সমন্বয় আনা ও আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার বিস্তৃত ভূমিকা নিয়ে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম চালু করা।

প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ ধাতুর জন্য পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে চীনের ওপর নির্ভরশীল। এখন তারা বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এবং এই নির্ভরতা কমাতে কাজ করছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়েও আলোচনা

জি৭ নেতারা মধ্যাহ্নভোজ বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়েও আলোচনা করেন। আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল এআই বট ও এজেন্টের দায়বদ্ধতা, এবং এআই কীভাবে সত্য ও মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে।

এই আলোচনায় অংশ নেন স্যাম অল্টম্যান ও দারিও আমোদেই’র মতো প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা।

সূত্র: রয়টার্স



  
  সর্বশেষ
Tartan Army takes over Boston as Scotland fans relish World Cup return
Brazil cuts benchmark rate again despite inflation pressure
Missile attack on Kyiv under way: AFP journalists
South Korea`s benchmark Kospi index tops 9,000 for first time

Chief Advisor: Md. Tajul Islam,
Editor & Publisher Fatima Islam Tania and Printed from Bismillah Printing Press,
219, Fakirapul, Dhaka-1000.
Editorial Office: 219, Fakirapul (1st Floor), Dhaka-1000.
Phone: 02-41070996, Mobile: 01720090514, E-mail: muslimtimes19@gmail.com