Friday 14th of August 2026
|
|
|
Headlines : * হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়লেন ক্যারোলিন লিভিট   * জিম্বাবুয়েতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ফেরি ডুবে নিহত ৪৪, নিখোঁজ বহু   * কোকোর জন্মবার্ষিকীতে বনানী কবরস্থানে স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া   * গ্রামের পর এবার ঢাকায় রাতভর লোডশেডিং   * কলম্বিয়ায় ভূমিকম্প : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫০   * হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হামলা, জাহাজ অচল   * এসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫   * দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী   * কানাডায় ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ দাবানল, জরুরি অবস্থা জারি   * সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার  

   বাংলা সংবাদ
বৃদ্ধাশ্রমে বাবার মৃত্যু, শেষবিদায়ে এলেন না ৩ মেয়ের কেউ!
  Date : 13-08-2026

শেষবিদায়ে বাবার মুখোমুখি হওয়া হলো না। দূরদেশ ও দূর শহর থেকে তিন মেয়ে শুধু ভিডিও কলে দেখলেন বাবার অন্তিমযাত্রা। আর তার অস্থি বিজর্সন দিতে এলেন সেই ভাই, যার সঙ্গে দীর্ঘ ১০ বছর কোনো যোগাযোগই ছিল না। শেষবেলায় এমনই নিঃসঙ্গ বিদায় কপালে জুটল বৃদ্ধ শিবচরণ রাম রতন গুপ্তের।

জানা যায়, বৃদ্ধের বাড়ি ভারতের হরিয়ানায়। গত ৪ আগস্ট সোনিপতের একটি বৃদ্ধাশ্রমে দীর্ঘ অসুস্থতার পর মারা যান তিনি। প্রায় দুই বছর ধরে ওই বৃদ্ধাশ্রমেই থাকছিলেন তিনি।

তার তিন মেয়ের কেউই শেষকৃত্যে সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি। নেপাল, উত্তর প্রদেশ ও মুম্বাই থেকে তারা ভিডিও কলে বাবার দাহক্রিয়া দেখেন।

এরপর বাবার অস্থি বিসর্জনের সময়ও তাদের কেউ হরিদ্বারে যাননি।

১০ বছর যোগাযোগ ছিল না ভাইয়ের সঙ্গে
শিবচরণের মৃত্যুর খবর পাওয়ার ঘটনাটিও ছিল অপ্রত্যাশিত। তার বড় ভাই মহেন্দ্র গুপ্ত একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

এরপর তিনি জানতে পারেন, ভাই এত দিন জীবিত ছিলেন এবং সম্প্রতি মারা গেছেন। মহেন্দ্র জানান, তারা ছিলেন সাত ভাইবোন। তিনি সবার বড়।

কিন্তু শিবচরণ ও তার পরিবারের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর ধরে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না।

একপর্যায়ে নেপালে ভূমিকম্পের পর মহেন্দ্র ধারণা করেছিলেন, সেই দুর্যোগেই হয়তো তার ভাই মারা গেছেন। তাই এত বছর ধরে তিনি ভাইকে মৃতই মনে করে এসেছেন।

ভাইয়ের অস্থি বিসর্জন হরিদ্বারে
ভাইয়ের মৃত্যুর খবর জানার পর মহেন্দ্র হরিদ্বারে যান। গত বুধবার সেখানে শিবচরণের অস্থি বিসর্জন করেন তিনি।

এ সময় সামাজিক সংগঠনের সদস্য এবং বৃদ্ধাশ্রমের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

মহেন্দ্র বলেন, ভাতিজিদের হয়তো নিজেদের কিছু বাধ্যবাধকতা ছিল। সেই বিষয়টি তিনি বুঝতে পারছেন বলেও জানান।

‘স্বাস্থ্য ভালো থাকলে যেতাম’
শিবচরণের মৃত্যুর পর বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ তার তিন মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা সোনিপতে যেতে না পারায় ভিডিও কলে বাবার দাহক্রিয়ায় অংশ নেন।

স্থানীয় মানুষ ও বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। অস্থি বিসর্জনের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিন মেয়ের কেউই হরিদ্বারে যেতে পারেননি।

পরে বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ শিবচরণের বড় মেয়ের সঙ্গে কথা বলে। তিনি বাবার অস্থি যথাযথভাবে বিসর্জনের অনুরোধ করেন।

মেয়েটি কর্তৃপক্ষকে বলেন, তার বাবার ছোট ভাইয়েরা যেন এই দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য ভালো থাকলে তিনি নিজেই হরিদ্বারে যেতেন।

বাবার শেষকৃত্যে উপস্থিত হতে না পারায় মেয়েটি দুঃখপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, পরিস্থিতির জন্য তিনি ‘খুব লজ্জিত’।

বাবাকে তিনি খুব ভালোবাসতেন বলেও জানান। তবে কোনো না কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মেয়ের দাবি, বাবাই তাদের সঙ্গে থাকতে চাইতেন না।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 28        
  
  সর্বশেষ
US military helicopter crash kills two in Texas
Oil spill off Oman reaches coastline: state media
Trump `low-key` bets on economic pressure against Iran
Lebanon condemns `systematic` Israeli destruction in south

Chief Advisor: Md. Tajul Islam,
Editor & Publisher Fatima Islam Tania and Printed from Bismillah Printing Press,
219, Fakirapul, Dhaka-1000.
Editorial Office: 219, Fakirapul (1st Floor), Dhaka-1000.
Phone: 02-41070996, Mobile: 01720090514, E-mail: muslimtimes19@gmail.com