নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি কমায় স্বস্তি ফিরেছে তিস্তাপাড়ের ১০ হাজার পরিবারের।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে আজ বুধবার সকাল থেকে বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।
এদিকে ভারতের সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের তথ্য বলছে, তিস্তা নদীর উজানের দোমোহনী পয়েন্টে মঙ্গলবার দুপুর ২টায় সেখানকার বিপৎসীমার (৮৫ দশমিক ৯৫) ৩৭ সেন্টিমিটার (৮৫ দশমিক ৫৮) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ অংশের ডালিয়ায় তিস্তার ব্যারেজ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে ভারতের মেখলিগঞ্জ পয়েন্টে তিস্তার প্রবাহ একইদিনে দুপুর ২টায় বিপৎসীমার (৬৫ দশমিক ৯৫) ১০ সেন্টিমিটার (৬৬ দশমিক ০৫) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
তিস্তায় পানি কমায় স্বস্তি ফিরেছে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের ১০ হাজার পরিবারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তার পানি কমলেও নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের জানমাল রক্ষায় সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড।