চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময় দেশে এসেছিল ১২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার প্রবাসী আয়। সে তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এর আগে গত জুন মাসে দেশে এসেছে ২৮১ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রবাসী আয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।
এরও আগে গত মে মাসে দেশে আসে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ডলার প্রবাসী আয়, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এপ্রিলে আসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং মার্চে আসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে দেশে আসে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং জানুয়ারিতে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার প্রবাসী আয়। এর আগে ডিসেম্বরে আসে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে আসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।
অক্টোবরে দেশে আসে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং সেপ্টেম্বরে আসে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার প্রবাসী আয়। এছাড়া আগস্টে আসে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জুলাইয়ে আসে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে মোট প্রবাসী আয় এসেছে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।