| |
| ফের ডুবলো রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু, পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা |
| |
| |
|
| |
| |
| কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু পানিতে তলিয়ে গেছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সেতুর পাটাতনে প্রায় ৪ ইঞ্চি পানি ওঠে। এ পরিস্থিতিতে ঝুঁকি এড়াতে সেতুতে পর্যটকদের প্রবেশ ও চলাচলে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝুলন্ত সেতুটি পানিতে তলিয়ে যায়। ওই দিন দুপুর থেকেই পর্যটকদের প্রবেশ ও চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সেতু কর্তৃপক্ষ। পরে হ্রদের পানি কমে গেলে ৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে সেতুটির অধিকাংশ অংশ ভেসে ওঠে। পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে পর্যটকদের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করে দেওয়া। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্যমতে, শুক্রবার সকালে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৫ দশমিক ৫১ ফুট এমএসএল-এ পৌঁছালে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। এতে করে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে। রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শুক্রবার বিকেলে ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনে প্রায় ৪ ইঞ্চি পানি ওঠে। ঝুঁকি এড়াতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেতুতে পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পানি কমে গেলে আবারও পর্যটকদের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হবে। বর্ষা মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে গেলে প্রায়ই ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন পানিতে তলিয়ে যায়। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের সেতুতে ওঠার সুযোগ না থাকায় হতাশ হয়ে ফিরতে হয়।
|
| |
|
|
|
| |
|
|
Chief Advisor: Md. Tajul Islam,
Editor & Publisher Fatima Islam Tania and Printed from Bismillah Printing Press,
219, Fakirapul, Dhaka-1000.
Editorial Office: 219, Fakirapul (1st Floor), Dhaka-1000.
Phone: 02-41070996, Mobile: 01720090514, E-mail: muslimtimes19@gmail.com
|
|
| |
|