Friday 28th of August 2026
|
|
|
Headlines : * Nepal flood death toll rises to 579: disaster authority   * চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু   * নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই, এখনো নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ   * Death toll nears 400, rescuers search for 1,400 missing after Nepal-Tibet floods   * নেপালে বিপর্যয়ের মধ্যেই আরও একটি বন্যার শঙ্কা   * ভারতের ৪৫ বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লার মজুত সংকট, বিদ্যুৎ ঘাটতির শঙ্কা   * নেপাল-তিব্বতে ভয়াবহ বন্যায় নিহত বেড়ে ১৬০, নিখোঁজ শত শত   * নেপালে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ   * পাকিস্তানে সরকারি হাসপাতালে আগুন, পুড়ে মরল ১৫ নবজাতক   * চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে লাখো মানুষের ঢল  

   বাংলা সংবাদ
ভারতের ৪৫ বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লার মজুত সংকট, বিদ্যুৎ ঘাটতির শঙ্কা
  Date : 27-08-2026

 

ভারতের ৪৫টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লার মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্ষার কারণে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন এবং বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এসব কেন্দ্রে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে।

২৫ আগস্টের তথ্য অনুযায়ী, এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় মজুতের ২৫ শতাংশেরও কম কয়লা রয়েছে অথবা তিন দিনের কম সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো কয়লা মজুত আছে। জুলাইয়ের শেষে এমন বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৩১টি। অর্থাৎ এক মাসের মধ্যে সংকটে থাকা কেন্দ্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সংকটে থাকা ৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪০টি দেশীয় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

ভারতের কয়লা উৎপাদনকারী গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য ওডিশা, ঝাড়খণ্ড ও ছত্তিশগড়ে ভারী বৃষ্টির কারণে কয়লা উত্তোলন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি খনি থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা পরিবহনেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে বলে শিল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

পণ্যবাজার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বিগমিন্ট জানিয়েছে, আগস্টজুড়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কয়লার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জুলাইয়ের শেষের তুলনায় মজুত ১৯ শতাংশ কমে গেছে।

বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রায় ৩ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার টন কয়লা মজুত রয়েছে। এই পরিমাণ দিয়ে প্রায় ১০ দিন বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো সম্ভব। জুলাইয়ে এই মজুত ছিল প্রায় ১২ দিনের প্রয়োজনের সমান।

এদিকে, ২০০৯ সালের পর ভারতের চলতি বর্ষা মৌসুম সবচেয়ে দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এল নিনোর প্রভাবে বৃষ্টিপাতও অসম হয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরম বেড়ে যাওয়ায় এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে।

ভারতের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এনটিপিসির এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, অসম বৃষ্টির কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে, বিশেষ করে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের জন্য। কিন্তু কয়লার সরবরাহ চলছে অত্যন্ত সীমিত মজুতের ওপর নির্ভর করে।

ওই কর্মকর্তা জানান, কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয়টি কয়লাবাহী রেক প্রয়োজন হলেও বর্তমানে তার প্রায় অর্ধেক সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।

চলতি বর্ষা মৌসুমে ভারত স্বাভাবিকের তুলনায় ১২ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত পেয়েছে। ফলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।

এ পরিস্থিতিতে কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কিছু কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পিছিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়।

সূত্র: রয়টার্স



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 42        
  
  সর্বশেষ
New chapter begins in Bangladesh-China technical education cooperation: Mahdi
Putin congratulates President Mirza Fakhrul
Nepal flood death toll rises to 579: disaster authority
আইন পেশায় সফলতায় অর্থের পেছনে না ছুটে দক্ষতা অর্জনের আহ্বান আইনমন্ত্রীর

Chief Advisor: Md. Tajul Islam,
Editor & Publisher Fatima Islam Tania and Printed from Bismillah Printing Press,
219, Fakirapul, Dhaka-1000.
Editorial Office: 219, Fakirapul (1st Floor), Dhaka-1000.
Phone: 02-41070996, Mobile: 01720090514, E-mail: muslimtimes19@gmail.com